বিশেষ প্রতিনিধিঃ
ঢাকার মিরপুর ডিওএইচএস এ হিসাব সহকারি (ম্যানেজার} পদে চাকরি করে মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার নাগড়িপাড়া গ্রামের খন্দকার শাহাবুদ্দিন কয়েক কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অ-ভিযোগ পাওয়া গেছে।
তার বি-রুদ্ধে ঢাকা মিরপুর ১২ নম্বরন আলুকদি ও মাগুরা শহর সহ ঢাকার বিভিন্ন একাধিক জমি ও বহুতল ভবন নির্মাণ অ-ভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, নাগড়া বাজার ৪ তালা ফাউন্ডেশন সহ দুইতলা বিল্ডিং ও মাগুরা পুলিশ লাইনসহ অন্তত চারটি স্থানেজমি কিনেছেন তিনি।
যার সবই তার স্ত্রী স্বপ্নার নামে ক্রয় ও নিবন্ধিত।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি ইতোমধ্যে ৪ টি ভিন্ন স্থানে জমি ক্রয় করেছেন এবং একাধিক বহুতল ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন।
অ-ভিযোগ রয়েছে, রাজধানীর মিরপুর-১২ এলাকার আলুব্দিতে ওয়াসা অফিসের পাশে একটি ৯ তলা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা চলছে। এ প্রকল্পের জন্য রাজউক (RAJUK) থেকে প্রায় ৪০ লাখ টাকার বিনিময়ে নকশা পাস করে নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, মাগুরা পুলিশ লাইনের পাশেও খন্দকার শাহাবুদ্দিনের স্ত্রী ও শালির নামে জমি ক্রয় করা হয়েছে, যেখানে একটি ৪ তলা ভবন নির্মাণের প্রস্তুতি চলছে।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যা’প’ক আলোচনা তৈরি হয়েছে। আয়ের উৎস ও সম্পদ অর্জনের বিষয়টি নিয়ে সবাই সন্দিহান।
তিনি মিরপুর ১২ ক্যান্টনমেন্ট আলুকদি সেনাগেট এলাকায় নিজেকে সার্জেন্ট শাহাবুদ্দিন বলে জা’ল পরিচয় দেন। এই ভু’য়া পরিচয়ে ডিওএইচএস এলাকায় প্রবেশকারী গাড়ি,বাইক,অটোরিক্সা,মালবাহী ছোট ট্রাক, হকার, টংঘরের দোকানী, মাইক্রোবাস, মুচি ও রিকসা ড্রাইভারদের থেকে চাঁ’দা আদায় করেন।
এ ছাড়া ডিওএইচএস এলাকায় সিকিউরিটি গার্ড পদে চাকুরি দেওয়ার নামে অসংখ্য লোকের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা নিয়েছেন। ছোট গাড়ি, অটো,মাইক্রো স্টিকার দেওয়ার জন্য মাসিক ৩ হাজার করে টাকা আদায় করেন।
সম্প্রতি তিনি নাগড়া বাজারে স্ত্রী সপ্নার নামে, (খন্দকার শাহাবুদ্দিন এর স্ত্রী) আরো ৩০ লাখ টাকরা জমি ক্রয় করেছেন।
এ বিষয়ে সরেজমিন আরও কঠোর নিষ্ঠার সাথে অনুসন্ধান চলছে।