বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৯:১৮ অপরাহ্ন

অবৈধ টাকার প্রভাবে মসজিদ নির্মাণের নামে রাতের আধারে দোকানপাট ভাঙ্গা এবং স্থানীয় জামায়াত বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে সালিশ বানিজ্যর অভিযোগ
প্রতিবেদক / ৭২ সময়
আপডেট মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬

 

মোঃ মামুন হুসাইন 
স্টাফ রিপোর্টার

পটুয়াখালী বাউফল উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের চুনারপোল বাজার এলাকায় দীর্ঘদিন যাবত জায়গাজমি নিয়ে বিরোধ কে কেন্দ্র করে বিগত বছরখানেক পূর্বে রাতের আধারে দোকান পাট ভেঙ্গেফেলা সহ মারধরের মতো ঘটনা ঘটেছে বলে যানা যায়। এ ব্যাপারে বাউফল থানায় বিগত সময় ভুক্তভোগীর দায়ের কৃত চলমান মামলার সমাধানের লক্ষ্যে, বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (OC) মোঃ সিরাজুল ইসলামের নির্দেশনায় মামলার আয়ু ইব্রাহীম হোসেনের উপস্থিতিতে থানায় বসে বাদী-বিবাদীর মনোনীত শালিশগন সহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ(রাজনীতি বিদ) কে স্বচ্ছ ও সঠিক পন্থায় বন্টন উল্লেখ পূর্বক অনুমতি প্রধান করা হয়েছে। যা উভয় পক্ষই পছন্দ মতো সালিশদারের নাম ঘোষণা মাধ্যমে, তাদের সিদ্ধান্তকেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে গন্য হবে উল্লেখপূর্বক উভয় পক্ষকে স্বাক্ষর করানো হয়েছে বলে জানা যায়। এসময় মানিতো সালিশগনের ব্যাপারে জানা যায়, সার্ভেয়ার হিসেবে দাইত্বে ছিলেন মোঃ মামুন হোসাইন এবং প্রধান সালিশ (মধ্যস্ত) হিসেবে দাইত্ব দেয়া হয় কনকদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, কনকদিয়া স্যার সলিমুল্লাহ স্কুল এন্ড কলেজ এর সিনিয়র শিক্ষক মোঃ খালেদুজ্জামান ফোরকান সহ, ১মপক্ষের মানোনিত ১.মোঃ খোকন(ইউপি সদস্য) ২. জাহিদুল ইসলাম (চুন্নু) ৩.আঃ মালেক হাং এবং ২য় পক্ষের মনোনীত, ১. ওলিউর রহমান ওলি ( বাউফল উপজেলা বিএনপি নেতা) ২. মোঃ সালাম হাওলাদার ৩.যুবরাজ হাওলাদার সহ ( সংবাদ কর্মী) জাফরান হারুন ও অন্যান্য স্থানীয় ব্যাক্তি বর্গ উপস্থিত থেকে উভয়পক্ষের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বিশ্লেষণ পূর্বক মতামতের ভিত্তিতে সঠিক ভাবে প্রাপ্য সম্পদ বন্টনের জন্য বলা হলেও একতরফা সালিশ হয়েছে বলে অভিযোগ করেন মামলার বাদী মোঃ মামুন হোসাইন সহ তাদের ওয়ারিশগন।
গত (২৪ ও ২৫) এপ্রিল ২০২৬ ইং তারিখ রোজ (শুক্র ও শনিবার) কনকদিয়া ইউনিয়নের চুনারপোল বাজারে বসে
বিগত দুইদিন যাবত কার্যক্রম পরিচালনা করে ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ইং তারিখ রোজঃ শনিবার বিকাল ৪:০০ ঘটিকায় সালিশির মাধ্যমে দলিল-খতিয়ান অনুসরণ করে জমি বণ্টনের মাধ্যমে উক্ত মানিত সালিশের সিদ্ধান্ত মেনে বক্তব্যর মাধ্যমে এই শালিশি সমাপ্ত করা হয়েছে বলে ঘোষনা দেন উক্ত সালিশির প্রধান সালিশের দাইত্ব পালনকারী খালেদুজ্জামান ফোরকান ।
এ সময় প্রধান শালিশ তাঁর বক্তব্য বলেন, এই দীর্ঘদিনের জায়গা-জমির বিরোধ অবশান ঘটিয়ে মসজিদ নির্মান কাজ শুরু এবং বাদী-বিবাদীর ন্যায্য দাবী বুঝিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছেন। তার বক্তব্যর আলোকে ভুক্তভোগী, মামলার বাদী মোঃ মামুনের কাছে জানতে চাইলে তিনি ও তার ওয়ারিশগনরা উপস্থিত সকল শালিশগন এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ সহ সকল উপস্থিত জনগণের মাঝে অভিযোগ সালিশের বিরুদ্ধে অভিযোগএনে বলেন, তাদের সাথে অমানবিক জুলুম হয়েছে, তাদেরকে ন্যায্য দাবী বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি, তাই তারা এই রায়কে একতরফা রায় বলে উল্লেখ করে না মেনে প্রত্যাখ্যান ঘটনাস্থান থেকে চলে যেতে চাইলে, উপস্থিত সংবাদকর্মী জাফরান হারুন বাদীকে প্রশ্ন করায় বাদী মামুন তার সাক্ষাৎকারে বলেন তারা এই একতরফা রায় মানে না,তারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে এই স্থানীয় শালিশের মাধ্যমে শালিশগন তাদের ন্যায্য দাবী বুঝিয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এই ২ দিনের স্থানীয় শালিশের ব্যাবস্থা করেন।
কিন্তু সরজমিনে যখন শালিশগন বসেন তখন আমরা গরীব থাকায় শালিশগন বিবাদীর সাথে টাকা-পয়সা রফাদফা করে নিয়ে আমাদের সাথে অমানবিক জুলুম করেছেন। উক্ত শালিশগন আমাদের আমার ন্যায্য দাবী বুঝিয়ে না দেয়ায় আমরা এই একতরফা বন্টন মানিনা।
তারা বলেন আমাদের পৈতৃক জমিতে অনেক বছর পর্যন্ত কাঠের দোকান ছিল। বিগত এক বছরের অধিক সময় ধরে বিভিন্ন লোকের প্রলোভনে বিবাদী আল-আমীন হাওলাদার, জাহাঙ্গীর হাওলাদার,আবুরজাফর (সার্ভেয়ার) এর নির্দেশে মসজিদের নাম দিয়ে আমার দোকানপাট রাতের আঁধারে ভেঙে ফেলে ভরাট করার চেষ্টা করে। সাথে সাথে আমরা বাধা দিলে তখন আমাদের সকলেকে টাকার প্রভাব বিস্তার করে মারধর সহ বিভিন্ন ভাবে হেনস্তা করে জোর দখলের চেষ্টা চালায়। একধিকবার টাকার প্রভাবে একতরফা শালিশি আমরা না মানলে আমার ছোট ভাই রাসেল হাওলাদারকে জনসম্মুখে বাদী মোঃ জাহাঙ্গীর হাওলাদার দোকানে অস্ত্র বা মাদক দিয়ে পুলিশের দেওয়ার হুমকি দেন।পরে ও এই দুই বছর ধরে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে থাকেন এবং আপনার জানতে পারবেন তারা অবৈধ টাকার প্রভাবে বিভিন্ন মানুষকে হয়রানি জমি দখল সহ বিভিন্ন হয়রানি করে থাকেন। আমি গরীব মানুষ তারপর ও কেন তারা টাকার প্রভাবে আমাকে বারবার আমার ন্যায্য দাবী থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা চালান সেটা আপনাদের কাছে প্রশ্ন
বিগত কয়েকদিন আগে আমার দোকান অবস্থিত জায়গায় আবু-জাফর সার্ভেয়ারের নেতৃত্বে লোকজন ভাড়া করে আনে এবং ভবনের কাজ শুরু করে তখন আমরা বাধা প্রধান করলে মোঃ আবু জাফর,মোঃ আব্বাস এবং হানিফ হাওলাদার সহ জাফর হাওলাদারের ভাড়াটে লোকজন আমাদের উপর দেশিয় অস্ত্র দিয়ে অতর্কিত ভাবে হামলা চালায।তখন আবু-জাফর হাওলাদার ইট দিয়ে
মোঃ রাসেল হাওলাদারের মাথা ফাটিয়ে রক্তাক্ত করে এবং সাথে আমার স্ত্রী সহ অনেককে রক্তাক্ত করেন।
রাসেলকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে ৩ দিন চিকিৎসা শেষে উন্নতি না হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন কিছুদিন যাবত চিকিৎসা শেষ করে এখন বাসায় বিছানায় কাতরাচ্ছে।
তারপরে ও তারা খ্যান্ত হয়নি তারা শালিশের মাধ্যমে সমাধানের কথা বলে টাকার প্রভাবে তাদের জায়গা ঠিক রেখে আমার ন্যায্য দাবী থেকে বঞ্চিত করছেন।
শালিশগন টাকার বিনিময়ে একতরফা বন্টন ও রায় দিছেন এই একতরফা বন্টন ও রায় আমরা মানিনা।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ
জনপ্রিয় সংবাদ
সর্বশেষ

পুরাতন খবর

MonTueWedThuFriSatSun
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
  12345
6789101112
13141516171819
27282930   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728   
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031