কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীর ক্যাসিনো সম্রাট মোস্তাফিজুর। জানা যায় ফুলাবাড়ী সদর ইউনিয়নের রাবাইটারী গ্রামের শামসুল আলমের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান নেওয়াশী বাজারে বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায় ও ফ্লেক্সিলোডর ব্যাবসা করে আরছে। অবৈধ ভাবে বিকাশ নগদ এর মাধ্যমে গত কয়েক মাস ধরে ক্যাশ আউট ও ক্যাশ ইন এর মাধ্যমে অস্বাভাবিক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। কয়েক মাসে ৩ কোটি এর বেশি লেনদেন করার প্রমাণ পাওয়া গেছে। বিকাশের অবৈধ মার্চেন্ট ক্যাশ আউট এর মাধ্যমে টাকা আদান প্রদান নিষেধ থাকলেও নিয়ম না মেনে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ মার্চেন্ট ক্যাশ আউট করে কালো টাকার সাদা বানিয়ে রমরমা ব্যবসা করে আসছে ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরও কয়েকজন জানায় মোস্তাফিজুর নিজের সিম দিয়ে অবৈধ লেনদেন করতো এবং অনেককে লেনদেন করার জন্য বলতো। নেওয়াশী বাজারে নতুন দোকান দিয়ে বর্তমানে সর্বোচ্চ লেলদেন তার। আরও কয়েকজন জানায় বেকারত্ব দূর করতে আনুমানিক ২ বছর সৌদি আরবে অবস্থান করে সেখান থেকে ক্যাসিনো ব্যবসা সফলভাবে শিখে বিদেশ থেকে দেশে ফেরত আসে। তারপর শুরু হয় রমরমা ক্যাসিনো ব্যবসা। বর্তমানে অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসা করে কোটি টাকার মালিক হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বিকাশ ও নগদ অফিসের ঊর্ধতন কতৃপক্ষের সাথে কথা হলে তারা জানায় নেওয়াশী বাজারে নতুন ব্যবসায়ী হিসেবে মহাজন প্লাজা লেনদেন সর্বোচ্চ।
এ বিষয়ে মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানায় আমি দীর্ঘদিন দেশের বাইরে ছিলাম, আমি দেশে আসার ২ বছরের মতন হলো।
আমি ছোট একটা বিকাশ ফ্লেক্সিলোড দোকান দিয়ে করে খাচ্ছি, আমার এ ধরনের কোন লেনদেন নাই ।
আমি যদি আইনের বাইরে কোন কাজ করে থাকি আপনি এসে যা শাস্তি দিবেন আমি তা মেনে নিবো।
ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদ হাসান নাইম জানায় ক্যাসিনো ব্যবসায় জড়িত এমন সুনির্দিষ্ট যদি কারো বিরুদ্ধে তথ্য প্রমান পাওয়া যায় তাহলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।