April 19, 2026, 10:47 am
শিরোনাম
নাগেশ্বরীতে দুধকুমার নদীতে অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার, পরিচয় শনাক্তে সহযোগিতা কামনা নাগেশ্বরীতে সাবেক ওয়ার্ড কমিশনারের বিতর্কিত মন্তব্য, পরে ফেসবুক পোস্টে ক্ষমা প্রার্থনা ভূরুঙ্গামারীতে ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ রৌমারীতে শ্রদ্ধা ও গৌরবে পালিত ঐতিহাসিক বড়াইবাড়ি দিবস কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড: তদন্তে সত্যতা, বিভাগীয় ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন কুড়িগ্রাম সীমান্ত পৃথক পৃথক অভিযানে অর্ধকোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ। কুড়িগ্রামে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পথচারী নিহত, চালক আহত কুড়িগ্রামের ভাষা সৈনিক অ্যাডভোকেট আব্দুল করিম সরকারের ইন্তেকাল নাগেশ্বরীতে সাবেক ওয়ার্ড কমিশনারের বক্তব্য ঘিরে তুমুল সমালোচনা চিলমারীতে চো’খ উপরে ফেলা অবস্থায় নিখোঁজ শিশুর ম’রদেহ মিললো বাড়ির পাশের ঝোপে।

রৌমারীতে শ্রদ্ধা ও গৌরবে পালিত ঐতিহাসিক বড়াইবাড়ি দিবস

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বড়াইবাড়ি সীমান্তে সংঘটিত ২০০১ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের স্মরণে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে ঐতিহাসিক বড়াইবাড়ি দিবস। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হয়।
২০০১ সালের এই দিনে বড়াইবাড়ি সীমান্তে তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর), স্থানীয় গ্রামবাসী ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ সংঘটিত হয়। ওই যুদ্ধে বিডিআর সদস্য ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত প্রতিরোধে রচিত হয় বীরত্বগাঁথা এক ইতিহাস।
দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, প্রশাসক, জেলা পরিষদ কুড়িগ্রাম ও সদস্য-সচিব, কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপি। প্রধান আলোচক ছিলেন মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক হাসিবুর রহমান হাসিব, অধ্যাপক মোখলেছুর রহমান, আব্দুর রাজ্জাক, মোস্তাফিজুর রহমান রনজু, ইমান আলী ও নাসির উদ্দিনসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাবেক সংসদ সদস্য মোঃ রুহুল আমিন এবং তত্ত্বাবধান করেন মোঃ সেকান্দার আলী।
বক্তারা বলেন, বড়াইবাড়ির সেই সাহসী প্রতিরোধ জাতির ইতিহাসে এক গৌরবময় অধ্যায়। তারা শহীদদের স্মরণে স্থায়ী স্মৃতিফলক নির্মাণ এবং দিবসটি সরকারিভাবে পালনের দাবি জানান।
উল্লেখ্য, ২০০১ সালের ১৮ এপ্রিল ভোরে ভারতীয় বিএসএফ আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে বড়াইবাড়ি গ্রামে হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। পরবর্তীতে বিডিআর ও গ্রামবাসীরা সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং সংঘর্ষে তিনজন বিডিআর সদস্য শহীদ হন। অপরদিকে বিএসএফের ১৬ সদস্য নিহত হয় বলে জানা যায়।
এই দিনটি আজও স্থানীয়দের কাছে বীরত্ব, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের এক অনন্য স্মারক হিসেবে বিবেচিত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page