April 19, 2026, 9:40 am
শিরোনাম
নাগেশ্বরীতে দুধকুমার নদীতে অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার, পরিচয় শনাক্তে সহযোগিতা কামনা নাগেশ্বরীতে সাবেক ওয়ার্ড কমিশনারের বিতর্কিত মন্তব্য, পরে ফেসবুক পোস্টে ক্ষমা প্রার্থনা ভূরুঙ্গামারীতে ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ রৌমারীতে শ্রদ্ধা ও গৌরবে পালিত ঐতিহাসিক বড়াইবাড়ি দিবস কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড: তদন্তে সত্যতা, বিভাগীয় ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন কুড়িগ্রাম সীমান্ত পৃথক পৃথক অভিযানে অর্ধকোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ। কুড়িগ্রামে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পথচারী নিহত, চালক আহত কুড়িগ্রামের ভাষা সৈনিক অ্যাডভোকেট আব্দুল করিম সরকারের ইন্তেকাল নাগেশ্বরীতে সাবেক ওয়ার্ড কমিশনারের বক্তব্য ঘিরে তুমুল সমালোচনা চিলমারীতে চো’খ উপরে ফেলা অবস্থায় নিখোঁজ শিশুর ম’রদেহ মিললো বাড়ির পাশের ঝোপে।

ফুলবাড়ীতে প্রবাসীর একাধিক ‘মোবাইলে বিয়ে’ নিয়ে তোলপাড়, মানববন্ধন

 

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় মোবাইল ফোনে বিয়ে এবং একাধিক সম্পর্কের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী রোববার (সকাল ১১টায়) অভিযুক্ত বরের বাড়ির সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা হাতে বরের ছবি সংবলিত পোস্টার ও ফেস্টুন নিয়ে “বর তুমি কার?” স্লোগান দেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ভুক্তভোগীদের অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বড়লই জকরিয়া টারী গ্রামের মৃত আবেদ আলী দর্জির দ্বিতীয় ছেলে বাবু মিয়া দীর্ঘদিন ধরে দুবাই প্রবাসে রয়েছেন। প্রবাসে অবস্থানকালে তিনি একই গ্রামের জয়নাল দর্জির মেয়ে জিম খাতুনকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিয়ে করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। জিম খাতুন স্থানীয় একটি সরকারি কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।
অভিযোগ অনুযায়ী, বিয়েটি কোনো কাজী অফিসে আনুষ্ঠানিকভাবে রেজিস্ট্রি না হলেও, ভিডিও কলের মাধ্যমে বরের পরিবারের উপস্থিতিতে সম্পন্ন করা হয়। বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল এবং দেশে ফিরে সংসার শুরু করার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছিল।

তবে এর মধ্যেই একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিয়ের অভিযোগ সামনে আসে। এলাকাবাসীর দাবি, বাবু মিয়া বিদেশে থাকা অবস্থায় পার্শ্ববর্তী নওদাবশ গ্রামের সিরাজুল হকের মেয়ে শিরীনা খাতুনের সঙ্গেও একইভাবে মোবাইল ফোনে বিয়ে করেছেন। তিনিও একজন শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।

এ ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়ভাবে কয়েকজন ব্যক্তির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া এলাকাবাসী বলেন, “মোবাইল বিয়ের নামে প্রতারণা ও একাধিক সম্পর্কের বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া জরুরি। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।”
এদিকে, পুরো বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করতে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে স্পষ্ট ব্যাখ্যার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে বড়লই গ্রামের ইউপি সদস্য মাহবুল হক খন্দকার বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং দুঃখজনক। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিয়ের নামে একাধিক সম্পর্ক গড়ে তোলার অভিযোগ সত্য , বিষয়টি সামাজিক ও নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। এতে সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলো যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তেমনি পুরো এলাকায় বিভ্রান্তি ও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page